উপজেলা ভূমি অফিস, পাবনা সদর, পাবনা ।

উপজেলা ভূমি অফিস

Map

অত্র উপজেলা ভুমি অফিসটি জেলা-পাবনা, সদর উপজেলায় পাবনা পৌরসভার গোপালপুর মৌজার আর.এস ১ নং খতিয়ানভুক্ত ২০,২১,২২ দাগের ০.৯৩৩৭ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত । উপজেলা ভূমি অফিস, পাবনা সদর , পাবনা ।

সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) এ দপ্তরের অফিস প্রধান। এ অফিস ভূমি মন্ত্রনালয়ের অর্ন্তভূক্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পাবনা এর নিয়ন্ত্রনাধীন । জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ( রাজস্ব শাখার ) মাধ্যমে এ অফিসের নিয়ন্ত্রন করে । সরকারি কর্মকমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ দপ্তরের প্রধান । এটি প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড পদ ।একটি উপজেলার মধ্যে অবস্থিত ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল কর্মকান্ড এ অফিসের মাধ্যমে হয় । খাজনা আদায়, ভূমির নামজারী, ভিপি সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, হাট বাজার এর পেরিফেরি ভুক্ত সম্পত্তি ব্যবহারের লাইসেন্স প্রদান, খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান ও আদর্শগ্রাম/আশ্রয়ন/আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা এ অফিসের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ অফিসের আওতায় ১০ টি ইউনিয়নে ১০ টি ইউনিয়ন ভুমি অফিস রয়েছে।

মা, মাটি ও মানুষ-এই তিনের সমন্বয়ে আমাদের আবেগের রাজ্য। চিরন্তনভাবেই সর্বকালের বাঙ্গালী জাতির জন্য এই সত্য গভীরভাবে প্রথিত। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই তিনের সমন্বয়েই আমাদের জীবন আবর্তিত হয়। তাই, এর বিচ্ছেদে আমাদের নিগূড় অনুভূতিতে লাগে অনির্বচনীয় আঘাত।

এই তিনের মধ্যে ভূমির চিরন্তনতা আমাদের ক্রমপরিবর্তিত জীবনব্যবস্থায় ফেলেছে আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব। অপরদিকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভূমি নিয়ে বাংলার মানুষের শোষণ, অবিচার, বঞ্চনা তা ইতোমধ্যে সকল কাব্য, সাহিতের গণ্ডিকে পেরিয়ে কালোত্তীর্ণ হয়ে যুগে যুগে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে মুখে মুখে রচে উঠেছে নানা গল্পকথায়। তাই আজও মানুষের কাছে একখন্ড জমি অত্যন্ত মূল্যবান, যেন যক্ষের ধন। অবমূল্যায়নের এই যুগে একমাত্র ভূমিই দেয় মূল্যবৃদ্ধি, তবু সেটিই শেষ কথা নয়। এর সাথে জড়িত যে আবেগ তা মূল্যায়নাতীত।

তবু আপন মানুষ যেমন বঞ্চনার কারণ হয় সবচেয়ে বেশি, জমি-জমা নিয়েও মানুষের ভোগান্তি অশেষ। কারণ ক্রমবর্ধমান জনবিষ্ফোরণের এই দেশে সীমিত সম্পদ, সম্পদের অস্বাভাবিক বৈষম্যে ধনীশ্রেণীর আধিপত্য, সামাজিক দুর্বৃত্তায়ন ইত্যাদি নানাবিধ কারণে ভূমি’র প্রতি একদিকে মানুষের সীমাহীন আগ্রহ জন্মেছে, তেমনি ভূমি আইনের ব্যাপকতা, বাস্তবায়নের বাস্তবিক জটিলতা এবং অনেক ক্ষেত্রে আমাদের উদাসীনতা ভূমি ব্যবস্থাপনাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আধুনিকতায় রূপ দিতে পারেনি।

তবে আশার কথা হল, বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকতার উন্নয়ন সাধনে বিশেষ মনোযোগী হয়েছেন। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমি সেক্টরটিকে আধুনিকায়নের বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এটুআই ও গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট এ বিষয়ে বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করেছে। এছাড়া, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রণোদনায় মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি)গণের অনেকেই নিজ নিজ এলাকার প্রেক্ষাপটে উদ্ভাবনী উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে টেকসই পরিবর্তন প্রণয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন।

উপজেলা ভূমি অফিস

Map

অত্র উপজেলা ভুমি অফিসটি জেলা-পাবনা, সদর উপজেলায় পাবনা পৌরসভার গোপালপুর মৌজার আর.এস ১ নং খতিয়ানভুক্ত ২০,২১,২২ দাগের ০.৯৩৩৭ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত । উপজেলা ভূমি অফিস, পাবনা সদর , পাবনা ।

সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) এ দপ্তরের অফিস প্রধান। এ অফিস ভূমি মন্ত্রনালয়ের অর্ন্তভূক্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পাবনা এর নিয়ন্ত্রনাধীন । জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ( রাজস্ব শাখার ) মাধ্যমে এ অফিসের নিয়ন্ত্রন করে । সরকারি কর্মকমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ দপ্তরের প্রধান । এটি প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড পদ ।একটি উপজেলার মধ্যে অবস্থিত ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল কর্মকান্ড এ অফিসের মাধ্যমে হয় । খাজনা আদায়, ভূমির নামজারী, ভিপি সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, হাট বাজার এর পেরিফেরি ভুক্ত সম্পত্তি ব্যবহারের লাইসেন্স প্রদান, খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান ও আদর্শগ্রাম/আশ্রয়ন/আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা এ অফিসের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ অফিসের আওতায় ১০ টি ইউনিয়নে ১০ টি ইউনিয়ন ভুমি অফিস রয়েছে।

মা, মাটি ও মানুষ-এই তিনের সমন্বয়ে আমাদের আবেগের রাজ্য। চিরন্তনভাবেই সর্বকালের বাঙ্গালী জাতির জন্য এই সত্য গভীরভাবে প্রথিত। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই তিনের সমন্বয়েই আমাদের জীবন আবর্তিত হয়। তাই, এর বিচ্ছেদে আমাদের নিগূড় অনুভূতিতে লাগে অনির্বচনীয় আঘাত।

এই তিনের মধ্যে ভূমির চিরন্তনতা আমাদের ক্রমপরিবর্তিত জীবনব্যবস্থায় ফেলেছে আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব। অপরদিকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভূমি নিয়ে বাংলার মানুষের শোষণ, অবিচার, বঞ্চনা তা ইতোমধ্যে সকল কাব্য, সাহিতের গণ্ডিকে পেরিয়ে কালোত্তীর্ণ হয়ে যুগে যুগে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে মুখে মুখে রচে উঠেছে নানা গল্পকথায়। তাই আজও মানুষের কাছে একখন্ড জমি অত্যন্ত মূল্যবান, যেন যক্ষের ধন। অবমূল্যায়নের এই যুগে একমাত্র ভূমিই দেয় মূল্যবৃদ্ধি, তবু সেটিই শেষ কথা নয়। এর সাথে জড়িত যে আবেগ তা মূল্যায়নাতীত।

তবু আপন মানুষ যেমন বঞ্চনার কারণ হয় সবচেয়ে বেশি, জমি-জমা নিয়েও মানুষের ভোগান্তি অশেষ। কারণ ক্রমবর্ধমান জনবিষ্ফোরণের এই দেশে সীমিত সম্পদ, সম্পদের অস্বাভাবিক বৈষম্যে ধনীশ্রেণীর আধিপত্য, সামাজিক দুর্বৃত্তায়ন ইত্যাদি নানাবিধ কারণে ভূমি’র প্রতি একদিকে মানুষের সীমাহীন আগ্রহ জন্মেছে, তেমনি ভূমি আইনের ব্যাপকতা, বাস্তবায়নের বাস্তবিক জটিলতা এবং অনেক ক্ষেত্রে আমাদের উদাসীনতা ভূমি ব্যবস্থাপনাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আধুনিকতায় রূপ দিতে পারেনি।

তবে আশার কথা হল, বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকতার উন্নয়ন সাধনে বিশেষ মনোযোগী হয়েছেন। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমি সেক্টরটিকে আধুনিকায়নের বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এটুআই ও গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট এ বিষয়ে বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করেছে। এছাড়া, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রণোদনায় মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি)গণের অনেকেই নিজ নিজ এলাকার প্রেক্ষাপটে উদ্ভাবনী উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে টেকসই পরিবর্তন প্রণয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন।